মো
ঃ ইকরামুল হক রাজিব
নিজস্ব প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ সদর সহ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারের লাইব্রেরিতে সরকার নিষিদ্ধ প্রাথমিক,মাধ্যমিক,নিম্নমাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের নোট (গাইড)বই অবাধে বিক্রি হচ্ছে।আর বছরের শুরুতে এসব গাইড বই কিনতে লাইব্রেরি গুলোতে ভীর করছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,সরকার শিক্ষার্থীদের মেথা বিকাশের জন্য যুক্ত করছে সৃজনশীল পদ্ধতি। একইসাথে দেশের সর্বোচ্চ আদালত অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত নোট ও গাইড বই বিপনন,প্রদর্শন, প্রস্তুতকরন,মুদ্রন ও প্রকাশনা নিষিদ্ধ করলেও এ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এক শ্রেণির লাইব্রেরীর মালিকরা নিষিদ্ধ ঘোষিত নোট ও গাইড বইয়ের গোডাউনে মজুদ ও বিক্রি করে আসছে।এছাড়াও লাইব্রেরীর মালিক ও প্রকাশনীর প্রতিনিরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টারের প্রধান পরিচালক ও শ্রেনী শিক্ষকদের লোভনীয় কমিশনও ডোনেশন দিয়ে ম্যানেজ করে এসব নোট (গাইড) বইগুলো বিক্রি করে চলছে।উপজেলা সদর বাজার ছাড়াও বিভিন্ন হাটবাজারের লাইব্রেরি গুলোতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে সরকার নিষিদ্ধ নোট বই।১৯৮২ সালে সরকার ঘোষিত নিষিদ্ধ করা হয়েছে নোট (গাইড) বই।সেই সাথে বিক্রি নিষিদ্ধ আইনে জেল-জরিমানার বিধান থাকলেও তা মানা হচ্ছে না।স্হানীয় প্রশাসনের তদারকি ও অভিযান না থাকায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে সরকার নিষিদ্ধ বইগুলো।এ ব্যপারে অভিভাবক গন বলেন সরকার বিনামূল্যে বই দিলেও অনেক মুল্য দিয়ে আমাদের নোট বই গুলো কিনতে হচ্ছে।অপর এক প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন প্রাইভেট,কোচিং ছাড়া ছেলে-মেয়েরা পড়ালেখা করতে চায় না,অর্থের অভাবে প্রাইভেট,কোচিংয়ে পড়াতে না পাড়ায় বাধ্য হয়ে নোট বই কিনে দিতে বাধ্য হচ্ছি।এদিকে নিষিদ্ধ ঘোষিত নোট ও গাইড বই বিক্রিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় কোন কিছু তোয়াক্কা না করে লাইব্রেরীর মালিক গন অবাধে নোট ও গাইড বই বিক্রি করে আসছে।
0 মন্তব্যসমূহ