Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Responsive Advertisement

খুলনা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ কাজী বরকতুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন



নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ খুলনার আড়ংঘাটা থানাধিন তেলিগাতী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ কাজী বরকতুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম—দূনীতি—স্বেচ্ছাচারিতা, সরকারি সম্পদ নষ্ট, প্রশিক্ষণার্থীদের গাড়ী ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার, প্রশিক্ষণের কাঁচামালের অর্থ আত্মসাৎ, দীর্ঘদিন প্রশিক্ষকদের সম্মানী প্রদান না করা, অধিনস্তদের বিভিন্ন ভাষায় গালিগালাজসহ হুমকি—ধামকি ও শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করাসহ বিভিন্ন অভিযোগের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএমইটি(ঢাকা)’র পরিচালক(প্রশিক্ষণ মান ও পরিকল্পনা) মোঃ আকরাম আলী এবং বিএমইটি(ঢাকা)’র উপ—পরিচালক(প্রশিক্ষণ মান ও পরিকল্পনা) মোঃ  রফিকুল ইসলামের সমন্বয়ে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে সার্বিক বিষয়ে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর উপসচিব (পরিচালক—প্রশাসন ও অর্থ) কাইজার মোহাম্মদ ফারাবী  স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশ প্রদান করা হয়।
খুলনা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অনিয়ম—দূনীতি—স্বেচ্ছাচারিতা, সরকারি সম্পদ নষ্ট, প্রশিক্ষণার্থীদের গাড়ী ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা, প্রশিক্ষণের কাঁচামালের অর্থ আত্মসাৎ, দীর্ঘদিন প্রশিক্ষকদের সম্মানী প্রদান না করা, গেষ্ট টেইনাদের দীর্ঘ ২৩ মাস যাবৎ পি ডি ও সম্মানী প্রদান না করে প্রায় ৭ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে ব্যক্তিগত কাজে খরচ, প্রশিক্ষনের গাড়ী ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার, প্রশিক্ষণার্থীদের কাঁচামালের অর্থ আত্মসাৎ, প্রতিষ্ঠানের একজন নারী গেষ্ট টেইনারের সাথে অনৈতিক সম্পের্ক, অধিনস্তদের সাথে সার্বক্ষনিক সন্ত্রাসীমুলক আচার—আচারন, গালিগালাজ ও শারিরিক ও মানুষিকভাবে লাঞ্চিত করাসহ বিভিন্ন্ অভিযোগ এনে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ কাজী বরকতুল ইসলামকে দ্রুত সময়ে অপসারণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে প্রতিষ্ঠানের ৪৭ জন শিক্ষক—কর্মকর্তা ও কর্মচারীর স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ মহাপরিচালকের বরাবর প্রেরণ করা হয়। একই সাথে প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক কর্মকান্ড সুষ্ট ও সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করতে অবিলম্বে অধ্যক্ষকে অপসারণ সহ তার বিরুদ্ধে উঠে আসা সকল অভিযোগের তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজণীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে গত ৭/১২/২০২৩ তারিখ থেকে প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ অনিদিষ্টকালের শান্তিপুর্ণ অবস্থান কর্মসুচি পালন করে। প্রতিষ্ঠানের অচল অবস্থার প্রেক্ষিতে গত ১৭ ডিসেম্বর রবিবার বিএমইটি(ঢাকা)’র পরিচালক(প্রশিক্ষণ মান ও পরিকল্পনা) মোঃ আকরাম আলী এবং বিএমইটি(ঢাকা)’র উপ—পরিচালক(প্রশিক্ষণ মান ও পরিকল্পনা) মোঃ  রফিকুল ইসলামের সমন্বয়ে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে সার্বিক বিষয়ে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর উপসচিব (পরিচালক—প্রশাসন ও অর্থ) কাইজার মোহাম্মদ ফারাবী স্বক্ষরিত এক আদেশে বলা হয়েছে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর অধীনে খুলনা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ কতৃর্ক অধ্যক্ষ কাজী বরকতুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম—দূনীতি—স্বেচ্ছাচারিতা, সরকারি সম্পদ নষ্ট, প্রশিক্ষণা গাড়ী ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার, প্রশিক্ষণের কাঁচামালের অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রতিষ্ঠানের গাড়ী চালক আমিনুল সরদারকে শারিরিকভাবে লাঞ্চিত করা। এলাকাবাসীর পক্ষে কাজী আরিফুল ইসলাম(বকুল) কতৃর্ক  অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে গাছ কেটে সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধন এবং কাজী মঈনুল ইসলাম কতৃর্ক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা রুজুর অভিযোগ পাওয়া যায়। এছাড়াও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত অধ্যক্ষের কারিশমায় প্রতিষ্ঠানের গাছ কেটে সাবাড়সহ স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং বিএমইটিতে প্রাপ্ত অভিযোগের বিষয়সমুহ তদন্তের জন্য দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো। আদের্শে আরো বলা হয়েছে গঠিত তদন্ত কমিটিকে সার্বিক বিষয়ে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক সুস্পষ্ট মতামতসহ আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ