নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ সাধারণত দুর্ঘটনা কমাতে সড়কে স্পিড ব্রেকার (গতিরোধক) তৈরী করা হয়। সেগুলোও আবার নির্দিষ্ট দূরত্বে সেই সঙ্গে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাতেই স্থাপন করা হয়। কিন্তু উপকারী স্পিড ব্রেকার অনেক সময় ক্ষতিও করে।নগরীর খানজাহান আলী থানার খুলনা যশোর মহাসড়কের গ্যারিশন মাত্তমডাঙ্গা এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানী লিমিটেড এর সামনে পর পর একই সাথে ৩ টি করে মোট ৬ টি স্থাপন করা হয়েছে স্পীড ব্রেকার। কোন রকম নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে অপরিকল্পিতভাবে এ স্পিড ব্রেকার তৈরি করায় ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী চালক ও যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্পিড ব্রেকারগুলোর আগে পরে নেই কোন প্রতিকী চিহ্ন, লেখা নেই কোন সতর্কবাণী। এমনকি রং দিয়ে চিহ্নিত করা হয়নি ওই স্পিড ব্রেকারগুলো। সরেজমিনে দেখা গেছে, এগুলোর ওপর দিয়ে গাড়ি চালানোর সময় বেশ জোরে ঝাঁকুনির সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে প্রায়ই চালকদের সঙ্গে যাত্রীদের কথা কাটাকাটি ও বাক—বিতন্ডার সৃষ্টি হচ্ছে। এসব রাস্তায় যাতায়াতকারী রোগী ও শিশুরা ঝাঁকুনিতে প্রায় অসুস্থ হয়ে পড়ছে। মাঝে মাঝে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ভেঙ্গে রাস্তায় পরে থাকতে দেখা যায়। সোহেল নামের এক মোটরসাইকেল চালক জানান, স্পিড ব্রেকার পার হওয়ার সময় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন মোটরসাইকেল চালকরা।স্থানীয়রা জানান, অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত এই স্পিড ব্রেকারগুলোর কারণে সাইকেল, ভ্যান, মোটরসাইকেল চালকরাও সমস্যায় পড়েছেন। প্রতিদিন ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।এ ব্যাপারে খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিছুজ্জামান মাসুদ বলেন,আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি অবগত হলাম স্পিড ব্রেকার দেওয়া হয় দুর্ঘটনা কমানোর জন্য কিন্তু যদি সেই স্পিড ব্রেকার এর কারনে দুর্ঘটনা ঘটতে থাকে তাহলে সেটা সেখানে রাখার কোন প্রয়োজন নেই । আমরা দ্রুত এর ব্যবস্থা নেবো । স্থানিয় বাসিন্দা ও যানবাহন চালকরা বলেন পর পর একই সাথে ৩ টি করে মোট ৬ টি স্পীড ব্রেকার না দিয়ে উভয় পাশে ১ টি করে স্পীড ব্রেকার হলে ওই স্থানে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব ।

0 মন্তব্যসমূহ