মিলন আকন, মোড়লগঞ্জ প্রতিনিধি
বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার ১৫ নং মোরেলগঞ্জ সদর ইউনিয়নে শত শত জন সমর্থক নিয়ে উঠান বৈঠক সহ নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছে ইউনিয়ন পর্যায়ের এই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। গতকাল (০৭/০১/২১) রোজ শুক্রবার বিকাল ৩ঃ০০ ঘটিকায় ১৫ নং মোরেলগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত সভায় প্রধান অতিথি """মোঃ হুমায়ুন কবির মোল্লা " "(সিনিয়র সহ-সভাপতি, ১৫ নং মোরেলগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ) চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।"" মোঃ জাহাঙ্গীর ফরাজি "(সাধারণ সম্পাদক, ১৫ নং মোরেলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগ), "" এইচ এম রেজাউল করিম (যুগ্ম - সাধারন-সম্পাদক,১৫ নং মোরেলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগ), "মোঃ রফিক আকন( প্রভাষক,এ আর খান ডিগ্রি কলেজ) এছাড়াও উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন। সভায় প্রধান অতিথি বলেনঃ আল্লাহ তায়ালা যদি আমাকে কবুল করে,আপনাদেরকে সাথে নিয়েই আমি সামনের দিকে অগ্রসর হবো। মোরেলগঞ্জ সদর ইউনিয়নে এখনো মাটির রাস্তা রয়েছে যা নজিরবিহীন। ইউনিয়নে উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি, রাস্তার নির্মান কাজের নামে চালাচ্ছে লোক দেখানো জনসেবা। তিনি আরো বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্য " অ্যাডঃ আমিরুল আলম মিলন, (বাগেরহাট -৪) তিনি আমাদের গর্ব, তিনি এই ইউনিয়নের, এই গ্রামের সন্তান। মাননীয় সংসদের নেতৃত্বে আওয়ামিলীগ দলের সম্মানিত সভাপতি, দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার সহায়তায় এই ইউনিয়নকে সন্ত্রাস, মাদকমুক্ত ও সেবামূলক ইউনিয়ন গড়াই আমার লক্ষ্য।
মোঃ জাহাঙ্গীর ফরাজি বলেনঃ উঠান বৈঠকের উপস্থিতি দেখেই বলা যায় আপনারা কতটুকু ভালোবাসেন এই প্রার্থীকে।উঠান বৈঠকে এতো জনসমাগম আমরা মুগ্ধ হয়েছি আপনাদের উপস্থিতিতে।আপনারা সবাই এক একজন আওয়ামিলীগের পক্ষের সহযোগী। আপনারা সবাই অবগত আছেন যে,মোঃ হুমায়ুন কবির মোল্লা, মাননীয় সংসদ সদস্য এর ভাতিজা আর তাই আপনারা সবাই যদি কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করেন তাহলে আমরা অবশ্যই ✌ (জয়) ছিনিয়ে আনতে পারবো ইনশাআল্লাহ। ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য মোঃ হুমায়ূন কবির মোল্লা এর কোন বিকল্প নেই। আমরা সবাই একতাবদ্ধ হয়ে ইউনিয়ন থেকে অপশক্তিকে হটাবো। যারা বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাকে সাড়া না দিয়ে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কাজ করেছে তাদের পরিবারের সন্তানকে আমাদের ইউনিয়ন শ্বাসন করতে দেব না। কোন রাজাকারের ছেলে ইউনিয়নের মানুষের শ্বাসক ছাড়া সেবক হতে পারে না, তা আপনারা ইতোমধ্যে দেখেছেন। যার চরিত্র আছে তার সবকিছু আছে, আর যার চরিত্র নাই তার কিছুই নাই। এদিকটা খেয়াল রাখবেন।
যে মানুষকে মানুষ মনে করে না,তার নেতা বা জনপ্রতিনিধি হওয়ার কোন যোগ্যতাই নাই।আর আমাদের মূল্যায়ন না করারই কথা কারন সে তো আর ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা না, সে পৌরসভার বাসিন্দা। একটা স্বাক্ষর এর জন্য ১৫ থেকে ২০ দিন তার কাছে যেতে হয় এর পরে যদ্দিন ভালো লাগে তাহলে দিবে আর ভালো না লাগলে দিবে না।
এছাড়াও আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।

0 মন্তব্যসমূহ