নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ কোন রকম নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে খানজাহান আলী থানার খুলনা যশোর মহাসড়কের মাত্তমডাঙ্গায় এ্যসেনসিয়াল ল্যাটেক্স প্লান্টের সামনে অপরিকল্পিতভাবে ২ পাশে স্পিড ব্রেকারে মোট ৬ টি স্পিড ব্রেকার তৈরি করায় যাতায়াতকারী যাত্রী , চালক ও পথচারীরা প্রায় ছোট—বড় সড়ক দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।দু’পাশে দেওয়া স্পিড ব্রেকারে নেই কোনো রং বা সাংকেতিক চিহ্ন। ফলে, সড়কের এ স্থানে দূর্ঘটনা কমাতে স্পিড ব্রেকার দেওয়া হলেও এটা এখন দূর্ঘটনার উৎস হিসেবে দাঁড়িয়েছে।যার কারণে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হচ্ছে। আবার স্পিড ব্রেকার এতো বেশি যে, এগুলোর উপর দিয়ে গাড়ি চালানোর সময় বেশ জোরে ঝাঁকুনির সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে প্রায়ই ড্রাইভারদের সাথে যাত্রীদের কথা কাটাকাটি ও বাক—বিতন্ডার সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি আশপাশে বসবাসকারী বাসিন্দারা রাতে প্রচন্ড শব্দে ঘুমাতে সমস্য হয়।মোটরসাইকেল চালক মোঃ আলমাছ মিয়া বলেন এ স্পিড ব্রেকার এর কারনে গত সপ্তাহে আমি আমার শিশু বাচ্চা নিয়ে এখানে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনার স্বীকার হয়েছি।স্থানীয়রা আরো জানান, অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত এই স্পিড ব্রেকারের কারণে শুধু বড় গাড়ি নয়, সাইকেল, ভ্যান, মোটরসাইকেল ও সিএনজি চালকরাও সমস্যায় পড়েছেন। প্রতিদিন ছোটখাটো দূর্ঘটনা ঘটছে। সাধারণত দূর্ঘটনা কমাতে সড়কে স্পিড ব্রেকার (গতিরোধক) তৈরী করা হয়। অপরদিকে, উপকারী স্পিড ব্রেকার আবার অনেক সময় ক্ষতিও করে। নিয়মিত যাতায়ত করা পথেরবাজার এলাকার ব্যবসায়ি কামরুল বলেন অপরিকল্পিত স্পিড ব্রেকারকে চিহ্নিত করে এক্ষুণি অপসারণ করা জরুরী। কেনোনা এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় লোকজন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সড়ক ও মহাসড়কে দেওয়া স্পিড ব্রেকারের বেশির ভাগই অনুমোদনহীন। অপরিকল্পিতভাবে স্থানীয় পর্যায়ে এগুলো তৈরি করা হয়েছে। হাট—বাজার, দোকান থেকে শুরু করে চা দোকানের সামনেও স্পিড ব্রেকার নির্মাণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সড়ক বিভাগ তো দূরে থাক, স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকেও কোনো অনুমতি নেওয়া হয় না। আর এসব স্পিড ব্রেকারকে সড়ক দূর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে সড়ক নিরাপত্তা ইস্যুতে কর্মরত একাধিক সরকারি—বেসরকারি সংস্থা।ব্যবসায়ি আসবার বলেন, এই স্পিড ব্রেকার এ দুর্ঘটনার কারন হলো স্পিড ব্রেকারে গুলোতে রঙ করা নেই ফলে চালকরা দূর থেকে সেটি দেখতে পায় না, দেশে কোটি কোটি টাকা খরচ করে রাস্তা নির্মাণ করার পরও যদি স্পিড ব্রেকার গুলোতে রং দিয়ে চিহ্নিত করা না হয় তা হলে কি লাভ এই গুলো দিয়ে? এ ব্যাপারে খুলনা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিছুজ্জামান মাসুদ বলেন, মাত্তমডাঙ্গা এলাকার ওই স্পিড ব্রেকারে বৃষ্টির কারনে রং করা যায়নি আমরা অতিদ্রত সেখানে রং করে দিবো। তবে সাধারণ মানুষদের সচেতনতা হওয়া ছাড়া কোন বিকল্প পথ নেই। এ ব্যাপারে স্থানিয় বাসিন্দা মিনা মুরাদ হোসেন বলেন ১ সপ্তাহের মধ্যে যদি ঝুকিপুর্ন ওই স্পিড ব্রেকার অপসরান করা না হলে তারা এলাকার সর্বস্থরের সকলকে সাথে নিয়ে কর্মসূচি ঘোষনা করবেন বলে জানান।

0 মন্তব্যসমূহ