নাহিদ জামান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
রূপসা বাগেরহাটের পুরাতন সড়কে, রূপসা হইতে কাজদিয়া আসার পথে দেবীপুর নামক স্থানে, রাস্তা বসে গিয়ে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এখানে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা কতৃপক্ষের নজরে আসলেও মিলছে না প্রতিকার। কতৃপক্ষ সাময়ীক দুর্ঘটনা এড়াতে বসে যাওয়া জায়গায় ফেলছে ইটের আধলা।
এই সড়কটি একটি ব্যাস্ততম সড়ক। এখানে যানবাহনের সংখ্যা অনেক বেশী হওয়ার ফলে মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে।
এই অঞ্চলের মানুষের কৃষিকাজের জন্য পানি প্রয়োজন। তাই এখানে রয়েছে একটি খাল। খালটি এই সড়কের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সড়কের উপরে বড় কালবার্ডের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আবার সড়কের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কিছুদুর এসে সোজা পদ্দবিলের ভিতরে প্রবেশ করেছে। সড়কের দুই পাশ দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ার ফলে সড়কের নিচ থেকে মাটি সরে যায়। এতে সড়কের নিচের দিকে বসে গিয়ে সড়কটি নষ্ট হয়ে যায়। কতৃপক্ষ এটি বার বার মেরামত করার ফলেও ঠিক থাকে না। যার ফলে এখানে প্রতিনিয়ত মানুষ দুর্ঘটনার স্বীকার হয়। সড়কে টি ঠিক রাখার জন্য কতৃপক্ষ সড়কের দুই পাশে পাইলিং করেও পারেনি সড়কের ভাঙ্গন রোধ করতে। অবশেষে সড়কের ভাঙ্গন রোধ কল্পে কতৃপক্ষ পানি যাহাতে সোজা প্রবাহিত হয় তার জন্য আর একটি কালবার্ড নির্মান করার সিন্ধান্ত গ্রহন করে। নতুন করে আর একটি কালবার্ড নির্মান করেন। কালবার্ডটি নির্মান হলেও কালবার্ডটি যে উদেশ্যে নির্মান করা হয়েছে সেই উদেশ্যেটি কার্যকর করা হয়নি। কতৃপক্ষ পারেনি পানি সোজা ভাবে প্রবাহের ব্যাবস্থা করতে। কারন কালবার্ডটি যেখানে নির্মান হয়েছে সেখান দিয়ে ওয়াসার পানির লাইনের বড় মোটা পাইব লাইন নেওয়া হয়েছে। এর ফলে কালবার্ডটি নির্মানের সময় যে বাঁধ নির্মান করা হয়েছিল সেই বাঁধটি ছেড়ে দিতে পারছে না। বাঁধটি না ছাড়ার ফলে পানি পুর্বের মতই সড়কের দুই পাশ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নতুন কালবার্ডটি সড়কের ভাঙ্গন রোধে কোন কাজেই আসেনি। পুর্বের মতই সড়কেটি বসে গিয়ে তৈরি হয়েছে মানুষের মৃত্যুর ফাঁদ। কতৃপক্ষ এই মৃত্যুর ফাঁদ থেকে মানুষ কে বাঁচাতে গাড়ি গাড়ি ইটের আদলা এনে ফেলছে। আদলা ফেলার পরও মানুষ দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। কারন এটি হচ্ছে একটি ব্যাস্ততম সড়ক। এখানে প্রতিনিয়ত গাড়ীর যাতায়েত করে।
এলাকার জনসাধারন ও সড়কের চলাচলকৃত ভুক্তভুগিদের কতৃপক্ষের কাছে দাবী জনসাধারনের চলাচলের সুবিধার্থে এবং দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রত যাহাতে সমাধান হয় তাহার ব্যাবস্থা করা হউক।
0 মন্তব্যসমূহ