Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Responsive Advertisement

খুলনার কয়রায় ঘড়িলাল বাজারের জায়গার অভাবে চরম ভোগান্তি সাধারণ মানুষের




মোঃ আলমগীর হোসেন মুন্না,খুলনা প্রতিনিধিঃ


কয়রা উপজেলার সর্ব দক্ষিনে অবস্থিত মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সহ অন্যান্য পন্য কেনা বেচার একমাত্র হাট ঘড়িলাল। এখানেই সপ্তাহে সোম ও শুক্রবার হাট বসে। আর দক্ষিন বেদকাশি ইউনিয়নের সকল মানুষের পাশাপাশি পাশ্ববর্তি ইউনিয়ন থেকে এই হাটে বিভিন্ন জিনিষপত্র কিনতে আসে অসংখ্য মানুষ। জায়গার অভাবেই কেনা-বেচায় চরম ভোগান্তীতে পড়তে হচ্ছে সাধারন মানুষ সহ ব্যবসায়ীদেরকে।

 জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোরদাবি জানিয়েছে এ জনপদের সাধারন জনগন। সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, প্রায় ৬০ বছর আগে কয়রা উপজেলার দক্ষিন বেদকাশি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত জনপদ কপোতাক্ষ নদীর পাড়ে গড়ে উঠে ঘড়িলাল  হাট। সেই থেকে এই হাটে দক্ষিন বেদকাশি ইউনিয়নের সকল মানুষের পাশাপাশি শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা, পারশ্বেমারী, নাপিতখালী, লক্ষীখোলা, চাঁদনীমুখার শত শত মানুষ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সহ অন্যান্য মালামাল ক্রয় করে থাকেন। সম্প্রতি জায়গার অভাবে কেনা-বেচা করতে চরম ভোগান্তীতে পড়ছে সাধারন মানুষ সহ ব্যবসায়ীরা। বাজারে আসা ব্যবসায়ী সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার বাঁশতোলা গ্রামের আকরাম হোসেন বলেন, দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে এই হাটে কেনা বেচা করে আসছি। বর্তমান পাউবোর বেড়িবাঁধ ছাড়া কোন জায়গা নেই দোকানপাট বসানোর। 


অল্প জায়গার ভিতরে বেচা-কেনা করা খুবই সমস্যা। এই সমস্যার কারনে অনেক ব্যবসায়ী ঘড়িলাল হাটে আসা বন্ধ করে দিয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী শফিকুল গাজী, আয়ুব আলী খা আবুল হোসেন খা বলেন, হাটের পাশে পাউবোর বেড়িবাধের সাইটে জায়গা রয়েছে। ঐ জায়গায় বালূ ভরাট করার ব্যবস্থা গ্রহন করা হলে কিছুটা ভোগান্তী কমতো সাধারন জনগন সহ ব্যবসায়ীদের।


 ঘড়িলাল হাট রক্ষনা-বেক্ষন কমিটির সভাপতি মোঃ আঃ সামাদ খাঁ ও সাধারন সম্পাদক সাইদুর রহমান গাজী বলেন, উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ঘড়িলাল হাটটি এ বছর ২ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকার বিনিময়ে ইজারা গ্রহন করা হয়েছে। জায়গার অভাবে ব্যবসায়ীদের উপস্থিত কম থাকায় টাকা উঠানো দুরহ ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মাসুদ রানা বলেন,এ জনপদের একমাত্র হাট ঘড়িলাল জায়গার অভাবেই তার যৌবন হারাচ্ছে। প্রত্যন্ত এলাকা হওয়ায় এই হাটে অসংখ্য লোক নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা-বেচা করে থাকে।

 যে কোন উপায় জায়গার ব্যবস্থা করা হলে ঘড়িলাল হাটে ব্যবসায়ী বৃদ্ধির পাশাপাশি ক্রেতার সংখ্যা বৃদ্ধি পেতো। উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস বলেন, ঘড়িলাল হাটের জায়গার সমস্যা আমার জানা নেই। এ ধরনের অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ