Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Responsive Advertisement

ভালোবাসার না বলা কথা







এস এম রবিউল ইসলাম 


"সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই শাহিন ওই এখনো কি করছিস যাবি না নাকি তোর কি মনে নাই।আজ আমাদের কোথাই যাবার কথা।তুই কখন যাবি। শাহিন আমার বাল্য বন্ধু। স্কুল লাইফ থেকেই আমরা একসাথে পড়াশোনা করে আসছি।আজ ওর সাথে পার্কে বেড়াতে যাওয়র কথা ছিলো।

শাহিন :-তোর দ্বারা কোন কিছু হবি নাহ,

 আমি:-কানো আমি আবার কি করলাম রে ??

  শাহিন:-না তুমি কি কিছু করো,

আমি :-আরে আমার সব মনে আছে রে দোস্ত,

শাহিন :- আরে তুই এখন ঘড়িটার দিকে একবার তাকা,

আমি :-আরে ঘুম না ভাঙলে কি আমার দোস হুম,

শাহিন :- তুই থাক তোর ঘুম নিয়ে আমি যাচ্ছি,

আমি :-দোস্ত তুই আমার ঘরে বস আমি দশ মিনিটের ভিতর ফ্রেস হয়ে আসছি,

শাহিন :-আচ্ছা তুই বেশি কথা বলিস নাহ তো এখন যা,

   ,,,,,,,,,,,, কিছুক্ষন পর,,,,,,,,,,

  আমি আর শাহিন যাচ্ছিলাম পার্কে যাওয়ার উদ্দেশ্যে।ও আমার সাথে ওর  Gf এর কথা বলছিলো।আমি সব শুনছিলাম কারন আমার তোহ আর Gf নাই।আসলে সত্যি বলতে Bf Gf  নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যথা নাই।হাই স্কুল কলেজ থেকেই এই ব্যাপারে আমি তৎপর নাহ।কারন এইসব বিষয় আমি বুঝার চেষ্টা করিনি।শাহিন বুঝতে চেয়েছিলো আর সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ল।

যাই হোক আমরা পার্কে চলে এসেছি আজ দুইজন একটু ঘুরতেই এসেছি সখের বসে।সকাল সকাল নয় তবে দুপুরের  সময় ।পার্কে ঢুকেই দেখি অনেক লোকাহল অবস্থা সবাই এই সমময়টাতেই আসলে বেড়াতে আসে।বিভিন্ন স্কুল কলেজ থেকে এসেছে বেড়াতে।আমি আর শাহিন টিকিট গ্রহন করে প্রবেশ কররলাম পার্কের ভিতরে ।ভিতরটা দেখতে সুন্দর আরো ভালো লাগছে অনেক লোককে দেখে।ভালোই সময় পাস করলাম আমি আর শাহিন।

  ~~~~~~~দুপুরের খাবারটা আমি আর শাহিন পার্কের ক্যাননটিন এর ভিতরে সারলাম।দুপুরের পর আবার আমি আর শাহিন শুরু করলাম বেড়ানো।আমি আর শাহিন একসাথেই ছিলাম সব সময়।কিছুক্ষন পর।একটা ইয়াঙ মেয়ে পেছন থেকে ধাক্কা দিলো।আমি তো পুরো রেগে,,,,,,,,,,,,,,,,,,

আমি :-পথ দেখে চলতে পারো নাহ

মেয়েটি :-সরি,

আমি :-সব সময় তোমরা মেয়েরা নাহ সরি বলতে ভালোবাসো বুঝেছো,

মেয়েটি :-আসলে ভাইয়া আমি বুজতে পারি নাই,

আমি :-তোমার নাম কি?

মেয়েটি :পুতুল,

 আমি:-ওহ নামটামটা তো ভালো বাসা কোথাই?

পুতুল :-আচ্ছা ভাইয়া আপপনি আমার কাছে এতো কিছু জিজ্ঞস করছেন কেনো বলুন তহ,পুতুল একটু রেগে,??


আমি :-ওই তুমি কিন্ত আমার ধাক্কা দিয়েছো আমি যদি তোমার ক্ষমা নাহ করি,

পুতুল  :-আচ্ছা ভাই আমিও তো বলেছি সরি,

আমি :- তোমার বাসাটা বললে কি প্রবলেম,

পুতুল :- আপনার বাসার পাশের গ্রামে,

 আমি:-ওওওওও

পুতুল  :- আচ্ছা ভাইয়া আমি এখন যাই,

আমি :-ওকে কিন্ত সবধানে পথ চলার চেষ্টা করবা!!!

  ~~~~~ আপনারা নিশ্চই ভাব ছেন আমি মেয়েটির কাছে এতো কিছু জিজ্ঞস করলাম কেনো।আমি মেয়েটিকে এক পলক দেখেই খুব ভালো বেসে ফেলেছি।মানে একটা ক্রাস খাওয়র মতো।আমি তাকে কিছু বলতে পারলাম না।আমি শাহিন কে বললাম দোস্ত তোর এলাকার পাশে ওর বাসা তুই একটু খবর নিয়ে দেখিস দোস্ত।আমি মেয়োটিকে খুব লাইক করে ফেলেছি দোস্ত।শাহিন আমি সব বুঝেছি রে তোর কথা শুনে আমি সব বুঝছি।আচ্ছা চল এখন তো বাসাই চল নাকি।আমি আর শাহিন বাসার পথে রওনা হলাম।আমি পুতুলের কথাটাই ভাবছিলাম। 

  ,,,,দুই দিন পর,,

  আমি যেটা না দেখতে প্রস্স্তুত ছিলাম পুতুল আামাদের কলেজে গেটের সামনে আমি তোহ অবাক এটা আমি কি স্বপ্ন দেখছি না বাস্তব।শাহিন আসলে তোর সাথে তোহ একটা কথা বলতেই ভুলে গেছি রে দোস্ত পুতুল  আমাদের এখানে পড়ে ও প্রথম বর্ষে।আমি পুতুলকে খুব ভালবাসতাম।আমি শাহিন  কে দিয়ে ওকে প্রপোজ করলাম।কিন্ত পুতুল কোন সাড়া শব্দ দিলো  নাহ। প্রপোজ করার পর আমি আর কলেজে ওকে দেখতে পাই না ।শাহিনকে দিয়ে খবর নিলাম। বললো দোস্ত ও বাসায় চলে গেছে, ওহ হা বলায় হয়নি, ও মামদের বাসায় থাকতো, গ্রামে চলে গেছে।ওর বাবা মারা গেছে ও হয়তো আর কোনদিন আসবে নাহ।কিনতু।আজ ও আবেগ টা রয়ে গেলো।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ