নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ খুলনায় বন্ধ থাকা বেসরকারি জুট মিলের শ্রমিক কর্মচারীরে বকেয়া পাওনা পরিশোধ সহ ৬ দফা দাবি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গতকাল সকাল ১১ টায় খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরে সম্মেলন কক্ষে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান এর সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেএমপির প্রতিনিধি, শিল্প পুলিশের প্রতিনিধি , মালিকপক্ষের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সোনালী জুট মিলের মোঃ সাগর আহম্মেদ , আফিল জুট মিলের ব্যবস্থাপক আনিছুর রহমান , জুট স্পিনারের মোঃ বাচ্চু। এর মধ্যে মহসেন ও এ্যাজাক্স জুট মিলের মালিকপক্ষের কোন প্রতিনিধি হাজির হয়নি। বৈঠকে আফিল জুট মিলের আন্দোলনরত শ্রমিকদের কোন টাকা দেওয়া হচ্ছেনা এমন অভিযোগ উঠলে শ্রম পরিচালক এর তিব্র সমলোচনা করেন এবং আগামিতে পেমেন্ট এর সময় ফেডারেশন ও আফিল জুট মিলের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মোঃ নিজামউদ্দীনের সাথে আলোচনা করে শ্রমিকদের তালিকা নেওয়ার জন্য আফিল জুট মিলের ব্যবস্থাপক আনিছুর রহমানকে নির্দেশনা প্রদান করেন। এবং অতিদ্রত শ্রমিকদের মালিকপক্ষের নিকট পাওনাকৃত টাকার হিসাব শ্রম দপ্তরে দাখিল করার নির্দেশনা প্রদান করে। সোনালী জুট মিলের শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ এর বিষয়ে মিল মালিকের প্রতিনিধি নির্বাহী পরিচালক সাগর আহম্মেদ বলেন মিলটি বিক্রয়ের পক্রিয়া চলছে আগামী ২ মাসের মধ্যে সেটা হতে পারে বলে তিনি জানান মিল বিক্রয় হলে শ্রমিকদের সকল পাওনা এককালীন পরিশোধ করবেন বলেও তিনি জানান। মহসেন জুট মিলের মালিক পক্ষের কেউ হাজির না হলে শ্রমিকনেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ সময় শ্রম পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান বলেন মহসেন এর ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্ত আমরা পৌছে গিয়েছিলাম কিন্তু মালিকপক্ষের অসযোতিার কারনে সেটা সম্ভব হয়নি তিনি বলেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী ও জেলা প্রশাসক এর সাথে আলোচনা হয়েছে মালিকপক্ষ যদি সোজা পথে না হাটে আর শ্রমিকদের পাওনা অতিদ্রত পরিশোধ না করে তাহলে আইনগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এ্যাজাক্স মিলের বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে শ্রমিক নেতারা বললে আগামি সপ্তাহে ইতিপুর্বে যে কমিটি ছিলো সে কমিটি মিলের ভিতরে পরিদর্শন করবেন বলে জানান এ ছাড়া জুট স্পিনার্স মিলের ২ টি গ্রাইচুটি সহ বকেয়া পাওনা শ্রম আইন মোতাবেক পরিশোধ করার দাবি জানান, এছাড়া যাদের কর্মে যোগদান করাতে পারেনি তাদেরকে এককালীন শ্রম আইন মোতাবেক বকেয়া পরিশোধ করার দাবি জানান বৈঠকে উপস্থিত শ্রমিক নেতারা। শ্রমিক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেখ আমজাদ হোসেন, গোলাম রসুল খান, সাইফুল ইসলাম, নিজামউদ্দীন, মোঃ শহিদুল ইসলাম, আবুল কালাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্বারী আসহাবউদ্দীন, ইজ্ঞিল কাজী, লিয়াকত মুন্সি, সেকেন্দার আলী, সাইফুল্লাহ তারেক প্রমুখ।

0 মন্তব্যসমূহ