খুলনা মহানগর যুবলীগের সভাপতি ও খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সফল সভাপতি জননেতা জনাব #_সফিকুর_রহমান_পলাশ ভাই
করনা কালীন সময়ে আপনি যেভাবে সাহস দিয়েছেন এবং সরাসরি নিজে উপস্থিত থেকে যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তা কখনো #খুলনা_৪ আসনের মানুষ ভুলতে পারবে না।
ভাইয়ের একটা কথা এখনো কানে বাজে। ভাই করোনার শুরুতে একদিন আমাদের এই এলাকার কিছু যুবলীগ কর্মীকে বলেছিলেন মানুষের জন্য এখনই কাজ করতে হবে এবং এই সুযোগ মহান আল্লাহ দিয়েছে এখন যদি মানুষের পাশে না দাঁড়াই তো আর কবে দাঁড়াবো।
সব জায়গায় খোঁজখবর নাও কারা সমস্যায় আছে তাদের পাশে দাঁড়াও যেখানে যে সমস্যা আমাকে জানাও।
সেই থেকে শুরু হলো।
যখন আত্মীয়-স্বজন ভাই-বোন পাড়া-প্রতিবেশী করোনা রোগীকে একা ছেড়ে পালিয়ে গেছে মানুষ ভয়ে ঘর থেকে বের হতো না।
তখন এই পলাশ ভাই নিজে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন রোগীদেরকে হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করেছেন। আমরা নিজেরাও অনেক সময় ভয় পেয়েছি করনা রোগীর ধারে কাছে যেতে। কারণ পরিস্থিতি তখন তেমন ছিল।
কিন্তু যখন দেখেছি পলাশ ভাই এভাবে কাজ করছেন তখন আর বসে থাকতে পারেনি। তার সাহসিকতা দেখে সেই উৎসাহে আমরাও যতটুক সম্ভব চেষ্টা করেছি।
পলাশ ভাই নিজের ফসলে জমির একশত মন ধান পরপর দুইবার মানুষকে উপহার হিসেবে দেওয়া। যা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ সহ সারা বাংলাদেশে আলোড়ন তুলেছিল। ভাইয়ের ধান উপহার দেওয়ার ফেসবুক পোস্টটা বাংলাদেশের অনেক বড় বড় নেতার ফেসবুক ওয়ালে ঝুলতেছিল।
এছাড়াও উপহার হিসেবে দেয়া হয়েছিল ধান কাটা ও ধান মাড়াই করার অত্যাধুনিক মেশিন। শুধু তাই নয় নিজে উপস্থিত থেকে দলীয় কর্মীদেরকে নিয়ে ধান কেটে দেওয়া।
#রুপসা_তেরখাদা_দিঘলিয়ার হাজার হাজার নিন্মআয়ের পরিবারকে চাল, তেল, ডাল, আলু, দুধ, চিনি, আটা, সেমাই, ঔষধ, বিভিন্ন রকমের সবজি থেকে শুরু করে নানারকম উপহার সামগ্রী দেওয়া।
একটা কথা আজ সবাইকে বলে দিতে চাই, পলাশ ভাই নিজের মুখে কোনদিন আমাদেরকে বলেনি তিনি খুলনা চার আসনে নির্বাচন করবেন। কিন্তু অনেক আগে থেকেই মানুষের মুখে মুখেই শুরু হয়ে গেছে খুলনা ৪ আসনে #সফিকুর_রহমান_পলাশ ভাইয়ের কোন ধরনের কোন বিকল্প নেই। মানুষ তাদের সত্যিকার নেতাকে চিনতে কখনো ভুল করে না।
একজন নেতার সঠিক নেতৃত্ব দেওয়াটাই তার নেতৃত্বের চাহিদাকে আরও বেগবান করে তোলে। আর সেই চাহিদা থেকেই #রুপসা_তেরখাদা_দিঘলিয়ার সাধারণ মানুষের প্রাণের দাবি #খুলনা_৪_আসনে
#সফিকুর_রহমান_পলাশ ভাইকে নৌকা মার্কার প্রার্থী হিসেবে তারা পেতে চায়।
মতামত দিয়েছেনঃ রাহাত খান বাপ্পি

0 মন্তব্যসমূহ