Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Responsive Advertisement

শ্রম দপ্তরে আজ ত্রিপক্ষীয় বৈঠক দাবি পুরন না হলে লাগাতার কর্মসূচি




নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ খুলনায় বন্ধ থাকা বেসরকারি জুট মিলের শ্রমিক কর্মচারীরে মধ্যে  বেড়েছে শ্রমিক অসন্তোষ।  বকেয়া পাওনা পরিশোধ সহ ৬ দফা দাবিতে গত  ১০ সেপ্টেম্বরে খুলনা যশোর মহাসড়কের ফুলবাড়ীগেটে মহাসড়ক অবরোধ করে প্রায় ২ ঘন্টা  বিক্ষোভ করে  শ্রমিক নেতারা। সেখান থেকে পুনরায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর আধাবেলা রাজপথ— রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি ঘোষনা করে শ্রমিক নেতারা এর মধ্যে গত খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তর থেকে আজ ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের জন্য চিঠি দেওয়া হয় আন্দোলনরত শ্রমিক নেতাদের বৈঠকে  বসার জন্য । গত শুক্রবার ফুলবাড়ীগেটে শ্রমিক জনসভা থেকে শ্রমিক নেতারা অবরোধ কর্মসূচি পত্যাহার করে   আজকের বৈঠকে যোগ দেওয়ার ঘোষনা দেন।  শ্রমিক নেতারা বলেন যদি বৈঠকে কোন সমাধান না হয় তাহলে পুনরায় রাজপথ— রেলপথ অবরোধ সহ কঠিন কর্মসূচি ঘোষনা করা হবে।  আন্দোলনরত শ্রমিক নেতাদের বলেন  বছরের পর বছর পিএফ, গ্রাইচুটি , বকেয়া বেতন— পরিশোধ না হওয়ায় শ্রমিক  অসন্তোষ বিরাজ করছে এ অঞ্চলে। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, খুলনার আটরা ও মিরেরডাঙ্গা শিল্প এলাকায় দির্ঘদিন ধরে  বকেয়া বেতন—বোনাসও চূড়ান্ত পাওনা পরিশোধে ব্যর্থ সে তালিকায় রয়েছে মহসেন, সোনালী, জুট স্পিনার্স ,  এ্যাজাক্স, ট্রান্সওয়েশন ফাইবার্স। তবে শিরোমনি জুট স্পিনার্স মিলের শ্রমিককে নামমাত্র বকেয়া পরিশোধ করা হয়েছে।সূত্র জানায়, মিরেরডাঙ্গার এ্যাজাক্স জুট মিলটি ২০১৪ সালের ২২মে বন্ধ হয়ে যায়। মিল বন্ধ হলেও মিল মালিকের কাছে শ্রমিকদের প্রায় ১৬ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। শিরোমনি শিল্পাঞ্চলের মহসেন জুট মিলটি ১৩ মাস লে—অফ থাকার পর ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই মিলটি বন্ধ করে ৬৬৭ জন শ্রমিক—কর্মচারী ছাঁটাই করে মিল কর্তৃপক্ষ। ৩৬৫ জন শ্রমিক কর্মচারীদের প্রায় ১০ কোটি টাকা বকেয়া পাওনা রয়েছে। নানা অজুহাতে মিলের মালিক—শ্রমিকের পাওনা পরিশোধ করছে না।২০১৮ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি আটরা শিল্প এলাকার আফিল মিলটি বন্ধ হয়। ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে কয়েকজন শ্রমিককে টাকা দিলেও  ২০২৩ সালে  অনেক শ্রমিমকে  মিল মালিক টাকা পরিশোধ করেছে, যদিও মিলের শ্রমিক নেতা নিজামউদ্দীন শ্রম আইন অনুযায়ি শ্রমিকরা যাতে টাকা পায় সে দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন । শিরোমনি বিসিক শিল্প এলাকার জুট স্পিনার্স মিলটি ২০১৬ সালে বন্ধ হয়।মিলটিতে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে ১ হাজার ২শ’ শ্রমিক কাজ করতো। শ্রমিক—কর্মচারীদের বকেয়া পাওনা রয়েছে কয়েক কোটি টাকা। বর্তমানে মিলটি আংশিক চালু রয়েছে। মিরেরডাঙ্গা শিল্প এলাকার সোনালী জুট মিলের শ্রমিক—কর্মচারীদের প্রায় ৮০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে মালিকপক্ষের নিকট , বর্তমানে মিলটি আংশিক চালু রয়েছে।  বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক—কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল খান বলেন, শ্রমিক—কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধ না করে পাটকলগুলো বন্ধ রাখায় অনেকেই নিঃস্ব হয়ে গেছেন। বেকার হয়ে পড়া এসব মিলের শ্রমিক—কর্মচারী আর বসে থাকবেনা সামনে সংসদ নির্বাচন এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমরা আবারও রাজপথে আন্দোলন এর মাধ্যমে আমাদের নায্য পাওনা আদায় করবো।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ