সাইফুল্লাহ তারেক, আটরা গিলাতলা প্রতিনিধি ঃ পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ঘিরে গিলাতলা জাহানাবাদ চিড়িয়াখানা ও জাহানাবাদ এ্যাডভেজ্ঞার রেইজ শিশু পার্ক সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে কর্তৃপক্ষ। সকাল ১০টা থেকে সন্ধা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এই পার্কটি।প্রতি বছরের মতো এবারও অন্যান্য বিনোদন কেন্দ্রগুলোর মতো নিরাপত্তার ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেয়া হয়েছে পার্কটিতে। এ জন্য এবার বেশ কয়েকটি সিসি টিভি ক্যামরা লাগানো হয়েছে। পুরো পার্ক না হলেও ভিতর ও বাইরের প্রায় গুরুত্বপূর্ণ এলাকজুড়েই এই সিসি ক্যামেরার চোখ রয়েছে। যা নিয়ন্ত্রণ করছেন পার্কের মধ্যে অবস্থিত ঘর থেকে।জানা গেছে, দর্শনার্থীদের কথা চিন্তা করে কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ঈদের পরের ৬ দিনের প্রতিদিনই চালু থাকবে এই বিনোদন কেন্দ্রটি।শিশু পার্কে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চারদিকে পরিষ্কার—পরিচ্ছন্ন করে রাখা হয়েছে। শিশুদের আনন্দের জন্য রাইডগুলোতে নতুন রঙ করা না হলেও পরীক্ষা—নিরীক্ষার পর সব ধরনের মেরামত কাজ শেষ করে নতুনভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। পার্কের ভেতরে ঢোকা এবং রাইডগুলোর জন্য আলাদা আলাদা টিকিটের মূল্য বাড়ানো হয়নি। সব কিছু আগের নির্ধারিত দামে থাকবে।জাহানাবাদ শিশুপার্কে বিনোদনের জন্য ট্রেন, খুলনা চরকা সহ মোট ৭ টি রাইড আছে। বছরের বেশিরভাগ সময় রাইডগুলো ফাঁকা থাকলেও ঈদের সময় শিশুদের কলকাকলিতে পুরো শিশু পার্ক হয়ে উঠবে উৎসব মুখর। ঈদের দিন থেকেই এসব বিনোদনকেন্দ্রে সব বয়সের মানুষের ঢল নামবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।মানুষের কাছে ঈদ বরাবরই বাড়তি আনন্দের। আর ঈদকে ঘিরেই শিশুদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দিতে এরই মধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে শিশু পার্ক। জাহানাবাদ এ্যাডভেজ্ঞার রেইজ শিশু পার্ক এর ব্যাবস্থাপক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান পিন্টু ঈদের প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। ঈদের দিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে শিশু পার্ক। প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা টাকা। এছাড়া রাইডগুলোর জন্য ২৫ টাকা টিকিটের দাম রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, সারা বছর শিশু পার্কে তেমন একটা ভিড় না থাকলেও ঈদের সময় ব্যাপকহারে চাপ বেড়ে যায়। এজন্য শিশু পার্কে নিরাপত্তাও বাড়ানো হবে। সাধ্যমত চেষ্টা করছি বিনোদন কেন্দ্রকে সাজিয়ে আগত দর্শনার্থীদের বিনোদন দিতে।

0 মন্তব্যসমূহ