সাইফুল্লাহ তারেক, আটরা গিলাতলা প্রতিনিধি ঃ ফুলতলা উপজেলায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এরই মধ্যে ধান কাটা শুরু হয়েছে । তবে শ্রমিক সংকটে ধান কাটা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।উপজেলার আটরা গিলাতলা, দামোদার. জামিরা ও ফুলতলা ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুরু থেকে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ফলন ভালো হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার রোগবালাই ছিল না বললেই চলে। বিগত সময় সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ, বিভিন্ন জেলা থেকে ধান কাটতে শ্রমিক ফুলতলাতে আসতেন। তারা মজুরির বিনিময় ধান কেটে ঘরে তুলে দিতেন। তবে করোনাভাইরাসের কারণে গত দুই বছরে শ্রমিক আসা কমে গেছে।কৃষকরা বলছেন, এবারও তারা শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু বেশিরভাগ শ্রমিক আসেনি। অথচ ধান কাটা শুরু হয়েছে । পাকা ধান কাটা ও মাড়াইয়ে বিলম্ব হলে তাদের ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়তে হবে। এ অবস্থায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা। উপজেলার পাড়িয়ারডাঙ্গা গ্রামের কৃষক রুহুল মিয়া , বলেন, আমন আবাদে ধান পাকার পরও ধান কাটতে হাতে কিছু সময় পাওয়া যায়। কিন্তু ইরি—বোরো মৌসুমে ধান পাকার পর সেই সময় থাকে না। কারণ পাকা ধান কাটা ও মাড়াইয়ে বিলম্ব হলে বৃষ্টি ও কালবৈশাখীতে ফসল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ফুলতলা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার চারটি ইউনিয়নে ৪ হাজার ২২৫ হেক্টর জমিতে ইরি—বোরো ধানের চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ৪ হাজার ২৩০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ হেক্টর বেশি জমিতে আবাদ হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জানানো হয় , করোনাভাইরাসের কারণে গত দুই বছরে শ্রমিক আসা কমেছিলো তবে এবার শ্রমিক সংকট নেই ।

0 মন্তব্যসমূহ