Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Responsive Advertisement

আটরা গিলাতলায় চলছে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের উৎসব



সাইফুল্লাহ তারেক, আটরা গিলাতলা প্রতিনিধি ঃ প্রচন্ড দাবদাহের মধ্যেই চলছে ফুলতলা উপজেলার ৪ টি ইউনিয়নে  বোরো ধান কাটার মহোৎসব। ভোর থেকে রাত অবধি সোনালি ধান ঘরে তোলার তাগাদায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কিষান—কিষানিসহ পরিবারের ছোট—বড় সবাই। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের চোখে—মুখে দেখা যাচ্ছে হাসির ঝিলিক। অতিবৃষ্টির  আশঙ্কায় উপজেলা  কৃষি বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে দ্রতগতিতে চলছে এই ধান কাটা।নিয়মিত  কৃষকদের ধানকাটা পরিদর্শন  তাদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে  ফুলতলা  উপজেলা কৃষি অফিস থেকে।ভোর থেকে রাত অবধি সোনালি ধান ঘরে তোলার তাগাদায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক—কিষানিসহ পরিবারের ছোট—বড় সবাই। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকের চোখে—মুখে হাসির ঝিলিক দেখা গেলেও বৈরী আবহাওয়া আশঙ্কায় সংশয় কাজ করছে।বাড়ির আঙিনা ও ধান শুকানোর খলায় মাড়াইকৃত ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন এলাকার কিষান—কিষানিরা।মাহে রমজানের রোজা রেখে প্রচন্ড দাবদাহের মধ্যেই ইরি—বোরো ধান ঘরে তুলতে আশাবাদী কৃষক।শুরুতে খরাজনিত কারণে জমির ফসলের কিছুটা ক্ষতি হলেও বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবেলা ছাড়াই এবার ধান সংগ্রহ শেষ হবে বলে সরেজমিনে আলাপে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কৃষকরা। চলতি মৌসুমে উপজেলার চারটি ইউনিয়নে ৪ হাজার ২২৫ হেক্টর জমিতে ইরি—বোরো ধানের চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ৪ হাজার ২৩০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ হেক্টর বেশি জমিতে আবাদ হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৫শ”হেক্টরের মতো  জমির ধান কর্তন চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবার চারা থেকে শুরু করে পানি সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণে শ্রমিক, কীটনাশক ও সারের কোনো সংকট ছিল না। এছাড়া আবহাওয়া এখন পর্যন্ত অনুকূলে আছে। আগামী কয়েকদিন এ অবস্থায় থাকলে কৃষক ভালোভাবে সোনালি ফসল ঘরে তুলতে পারবে। স্থানীয় শিরোমনি  গ্রামের কিষানি জামিলা  খাতুন বলেন, ধান ঘরে তুলতে গিয়ে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে পানির সংকট। ধান ভিজানো ও সিদ্ধ করার কাজে প্রচুর পানি লাগে। আশপাশের জলাশয় ও ডোবা—নালা ভরাট হয়ে যাওয়ায় এ সংকট আরও প্রকট হয়েছে।উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ ইনসাদ ইবনে আমিন জানান, ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে। বোরো ফসল উৎপাদন বাড়াতে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি। ফসল ঘরে তোলা পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার কৃষক বেশ লাভবান হবেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ