✍️আবুল কাশেম।
ভোরের শিশির মুক্তার মতো আলো ছড়িয়ে জানান দিচ্ছে আসছে শীত। শিশিরমাখা অগ্রহায়ণের একরাশ সজীব স্বপ্ন নিয়ে প্রকৃতি এখন মানুষকে কাছে টানছে। কুয়াশামাখা প্রকৃতি আর মাঠে মাঠে ফসলের সম্ভাবনার ঘ্রাণ, কৃষকের চোখে-মুখে আনন্দের রেখা। উৎসব আর আনন্দের মাঝে নিমগ্ন খেটে খাওয়া মানুষ। এমন সময় প্রকৃতি দূর করে দেয় শত কষ্টের গস্নানি। প্রকৃতির অপরূপ ছবিতে সাজানো মাকরশার জালে আটকা পড়েছে সাহিত্যপ্রেমিরা। ভোরবেলা মাঠে-ময়দানে ঘুরে দেখা যায়, ভোরের সূর্য। হালকা লালচে রংয়ে দিচ্ছে ঝিলিক। সূর্যের কিরণে মুক্তামালা চোখে পড়ে। কুয়াশার প্রতিটি কণা মুক্তার মতো জ্বলছে। গ্রীষ্ম আর শীতের মধ্যে হেমন্ত যেন অপরূপ এক সেতুবন্ধন। ভাদ্রের মাঝামাঝি সন্ধ্যে থেকে ভোর পর্যন্ত শীতল হাওয়া আর বিকেলে ঝরতে থাকা ধূসর কুয়াশা জানাচ্ছে দুয়ারে শীত কড়া নাড়ছে। মাঠে প্রান্তরে ভোরবেলা শিশিরমাখা ধানের ডলা জানান দিচ্ছে সম্ভাবনার বার্তা। সাজেক ভ্যালিসহ উত্তরপূর্ব জেলাগুলোতে ভাদ্রের মাঝামাঝিতে ভোরবেলা দূর্বা ঘাসে শিশির দেখা যায়। কয়েক দিন থেকে ভোরে ফ্যানের প্রয়োজন হচ্ছে না তাই শীত শির শির করে দরজায় করা নাড়ছে। প্রকৃতি জানান দিচ্ছে শীতের আগমনীবার্তা। শীত মানেই উৎসব। যেন পিঠা আর জামাই মেলা নিয়ে আসে শীতকাল। আবহাওয়া আর জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে এখন শীত ভাদ্রের মাঝেই উপলব্ধি করা যাচ্ছে। ভোর রাতে কাঁথা কম্বল গায়ে দিতে হয়। তাই বোঝা যায় শীত বেশি দূরে নেই। গত কয়েক দিন থেকে ভোরবেলা হালকা কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। অগ্রহায়ণ মাসের দিন যত যাচ্ছে শীতের আগমনী উপলব্ধি হচ্ছে। শীতের তীব্রতা কম বা বেশি হওয়ার বিষয়টি আরও মাসখানেক পরে নির্ণয় করা যাবে।

0 মন্তব্যসমূহ