নাহিদ জামান।
আমাদের এই জীবনটা বেশী বড় নয়।
জন্ম থেকেই শুরু হয় তার ক্ষয়।
আমরা বলি আমাদের বয়স বাড়িতেছে হায়।
আসলে সৃষ্টি কর্তার বেঁধে দেওয়া আয়ু, জন্মের দিন থেকে কমতে থাকে ভাই।
বেঁধে দেওয়া আয়ুর ভেতরে, ছাড়ে নাকো অসুখ বিসুখ।
তখন মনের ভেতর মনে হয় অসুখ না হওয়াই প্রকৃত সুখ।
এই ভাবে কখন যে শেষ হয় বাল্যকাল।
কৈশর পেরিয়ে চলে আসে জীবনের যৌবনকাল।
যখন আমাদের বয়স হয় বিশ।
তখন মনের ভেতর সুধু করে, নৌকা আর ধানের শীষ।
যখন বয়স হয় পঁচিশ।
তখন বন্ধুদের বলি মা বাবা কে বলে বিয়ে আমায় দিস।
এক থেকে দুই, দুই থেকে তিন।
সংসারের বোঝায়, মাথা করে চিন চিন।
বৌ চায় শাড়ী।
ছেলে বলে লাগবে আমার
গাড়ী।
আর মেয়ে বলে তোমার জামাই আসার আগে তৈরি কর বাড়ী।
মা বাবা বলে আমাদের শরীরে এসেছে বাত।
তাইতো কাল রাতে বিছানায় একটুকু হতে পারিনি কাত।
বাজার থেকে ঔষধ না আনিলে কিন্তু আজ রাতে মরবো নির্ঘাত।
এই ভাবে চলতে থাকে জীবন গাড়ির চাকা।
শুধু ধর্মের কাজটা করলাম না আমি,পূর্নের জায়গা রইল ফাঁকা।
এভাবে বয়স, যখন ষাট হয়ে যায়।
মৃত্যুর দূত এসে দাড়ায় দরজায়।
মৃত্যুর পর যখন পাপ পূর্নের হিসাব দিতে হবে সৃষ্টি কর্তার কাছে।
তখন কিন্তু পৃথীবির কোন মায়া মহব্বত থাকবে না তোমার পিছে।
আমরা মানুষ, সৃষ্টি কর্তা আমাদের দিয়েছেন হুশ।
পৃথীবির মায়ায় পড়ে আমরা যেন কখন না হই বেহুশ।
পৃথীবিতে সৃষ্টি কর্তার উপর রাখিবো ভরসা।
মরনের পর তিনি আমাদের কখনোই করবেন না নিরাশা।

0 মন্তব্যসমূহ